Job Preparation সরকার ব্যবস্থা

Job Preparation
Subject: Banagladesh
Topic: সরকার ব্যবস্থা

বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে প্রণীত হয়। পরবর্তীতে ২০১৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সর্বমোট ১৬টি সংশোধনী আনা হয়েছে।[বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থার সরকার পদ্ধতি প্রচলিত। রাষ্ট্রযন্ত্রের তিনটি শাখা: সংসদ, প্রশাসন এবং বিচার ব্যবস্থা। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ এক কক্ষবিশিষ্ট। এতে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ জন সদস্য ছাড়াও মহিলাদের জন্য ৫০টি সংরক্ষিত আসন আছে। প্রতিটি সংসদের নির্ধারিত মেয়াদকাল ৫ বছর। বাংলাদেশের প্রধান দুইটি রাজনৈতিক দল হলবাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। এছাড়াও, জাতীয় পার্টি রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ১৮ বছর বা তারচেয়ে বয়সে বড় সব নাগরিকের ভোটাধিকার রয়েছে।

১৯৯১ খ্রিস্টাব্দ থেকে নির্বাচনের পূর্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের পদ্ধতি চালু হয় যা ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে সংশোধনক্রমে সংবিধানে গৃহীত হয়। ২০০৮ খ্রিস্টাব্দের ৯ম জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত নির্বাচনের পূর্বে কেয়ারটেকার বা তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়েছে। এই ব্যবস্থায় সরকারের মেয়াদ শেষে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হতো। এ সময় সরকারী ক্ষমতা নিয়ন্ত্রিত হয় নির্দলীয় নিরপেক্ষ উপদেষ্টামণ্ডলীর মাধ্যমে। সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি প্রধান উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন মর্মে সংবিধানে প্রবিধান রয়েছে। সংসদীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়।[২০১১-এ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সংবিধানের ১৫শ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্বাচনপূর্ব নিদর্লীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের পদ্ধতি বাতিল করা হয়।

 

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০১৪ঃ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০১৪ বাংলাদেশে ৫ই জানুয়ারি ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনটি নবম জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ অধিকাংশ দলই বর্জন করে এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ও সতন্ত্রসহ ১৭টি দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এছাড়াও নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা বিজয়ী হওয়ায় নির্বাচনটি নিয়ে অনেক বিতর্কের সৃষ্টি হয়।৫ই জানুয়ারি রোববার বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বাকী ১৪৭টি[ আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য ১৫৪ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হওয়ার ফলে এবারের নির্বাচনে সাড়া দেশের মোট ৯,১৯,৬৫,৯৭৭ ভোটারের মধ্যে ভোট দেওয়ার সুযোগ পান ৪,৩৯,৩৮,৯৩৮ জন।৩০শে জুন ২০১১ সালে তত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে জাতীয় সংসদে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বিল পাশ হয়। প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ও তার শরিক জোটগুলো এর পর থেকেই নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারব্যবস্থা পুনরায় চালু করার জন্য সরকারের বিরোদ্ধে আন্দোলন শুরু করে। সরকারী দল আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচনের ঘোষণা দেন এবং তখনই বিরোধী দলীয় প্রধান খালেদা জিয়া বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না বলে ঘোষণা দেন।পরবর্তীতে এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়ী হয় ও প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা।এবং বিরোধী দল হইয় জাতীয় পার্টি ও বিরোধী দলীয় নেত্রী হন রওশন এরশাদ। 

রাষ্ট্রপতি এদেশের রাষ্ট্রপ্রধান। তাঁর সীমিত ক্ষমতা রয়েছে; কেননা কয়েকটি ক্ষেত্র ব্যতীত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নিতে তিনি সাংবিধানিকভাবে বাধ্য। জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য। তবে সংসদ নির্বাচনের সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে রাষ্ট্রপতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। রাষ্ট্রযন্ত্রের মূল ক্ষমতার অধিকারী হলেন প্রধানমন্ত্রী, যিনি “সরকার প্রধান” হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই সংসদ সদস্য হতে হয়। মন্ত্রীসভার মন্ত্রীরা প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক মনোনীত এবং রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

বাংলাদেশের সরকারী প্রশাসন যন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু হলো বাংলাদেশ সচিবালয় রাষ্ট্রের বিভিন্ন কার্যাবলী পরিচালনার জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নিযুক্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রীরা মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ডের নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। । প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করেন একজন স্থায়ী সচিব। প্রতিটি জেলা এবং উপজেলায় সরকারী প্রশাসন ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা। মন্ত্রণালয়ের মূল কাজ নীতিমালা প্রণয়ন যা বিভিন্ন সংযুক্ত বিভাগ, সংস্থা, বোর্ড, কমিশন, একাডেমী প্রভৃতির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়ে থাকে। প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির জন্য পৃথক কার্যালয় রয়েছে। 

বাংলাদেশের রাজনীতি ও সরকার ব্যবস্থা সংসদীয় পদ্ধতির। এখানে প্রধানমন্ত্রীর হাতে সরকারের প্রধান ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে। বহুদলীয় গণতন্ত্র পদ্ধতিতে এখানে জনগণের সরাসরি ভোটে জাতীয় সংসদের সদস্যরা নির্বাচিত হন।নির্বাহী (executive) ক্ষমতা সরকারের হাতে ন্যস্ত। আইন প্রণয়ন করা হয় জাতীয় সংসদে। বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালে প্রণীত হয়, এবং এখন পর্যন্ত এতে ১৬টি সংশোধনী যোগ করা হয়েছে।

নির্বাহী বিভাগ:
বাংলাদেশের সরকার নির্বাহী বিভাগ পরিচালনা করে। প্রধান মন্ত্রী ও মন্ত্রী সভার সদস্যরা বিভিন্ন নির্বাহী সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। দেশের রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হন।

আইন প্রণয়ন বিভাগ:
বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। এটি এক কক্ষীয়, এবং ৩০০ জন সংসদ সদস্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন। এছাড়া নারীদের জন্য ৫০টি সংরক্ষিত আসনের বিধান রয়েছে, যেসব আসন সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে বণ্টিত হয়।

বিচার বিভাগ:
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত।সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত। এর দুটি স্তর রয়েছে যথা হাইকোর্ট ডিভিশন ও আপীল ডিভিশন। রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারকদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন। দেশের আইন-কানুন অনেকটা প্রচলিত ব্রিটিশ আইনের আদলে প্রণীত; তবে বিবাহ এবং উত্তরাধিকার সংক্রান্ত আইনগুলো ধর্মভিত্তিক। ২০০৮ খ্রিস্টাব্দে বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণরূপে প্রশাসন থেকে পৃথক করা হয়েছে।

বাংলাদেশের আইনসভার নাম– জাতীয় সংসদ (House of the Nation):

  • জাতীয় সংসদ ভবন কে উদ্বোধন করেন- রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার।                                
  • জাতীয় সংসদের প্রতীক- শাপলা
  • বর্তমান আসনসংখ্যা- ৩৫০টি(সংরক্ষিত মহিলা আসন – ৫০টি)
  • সরাসরি ভোটে নির্বাচিত আসন – ৩০০টি
  • জাতীয় সংসদের মেয়াদ- ৫ বছর
  • সংসদ অধিবেশন আহ্বান, ভঙ্গ ও স্থগিত করতে পারেন- রাষ্ট্রপতি
  • সংসদ নির্বাচনের ৩০ দিনের মধ্যে অধিবেশন আহ্বান করতে হয়
  • সংসদের দুই অধিবেশনের মধ্যবর্তী সময় সর্বোচ্চ- ৬০ দিন
  • সংসদ অধিবেশনের কোরাম- ৬০ জন
  • স্পিকারের অনুমতি ছাড়া সংসদে অনুপস্থিত থাকা যায়- ৯০ দিন
  • সংসদ ভেঙে গেলে বা মেয়াদে শেষ হয়ে গেলে নির্বাচন দিতে হয়- ৯০ দিনের মধ্যে
  • জাতীয় সংসদের সভাপতি- স্পিকার
  • প্রথম স্পিকার ছিলেন- মোহাম্মদ উল্ল্যাহ
  • বর্তমান স্পিকার- শিরীন শারমীন। 
  • মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন ছিল না- ৪র্থ সংসদে
  • বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে এ পর্যন্ত- ২ জন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান বক্তৃতা দিয়েছেন (যুগোশ্লাভিয়ার মার্শাল টিটো ও ভারতের ভি ভি গিরি)
  • কাস্টিং ভোট- স্পিকারের ভোট
  • অধ্যাদেশ- রাষ্ট্রপতি নিজে যে আইন জারি করেন
  • সরকারি বিল- মন্ত্রীরা যে বিল উত্থাপন করেন
  • বেসরকারি বিল- সংসদ সদস্যরা যে বিল উত্থাপন করেন
  • ফ্লোর ক্রসিং- অন্য দলে যোগদান কিংবা নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দান
  • বাংলাদেশের সরকার- সংসদীয় পদ্ধতির
  • সংসদীয় পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপ্রধান- রাষ্ট্রপতি
  • সংসদীয় পদ্ধতিতে সরকারপ্রধান- প্রধানমন্ত্রী
  • রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম চলে- রাষ্ট্রপতির নামে
  • বিদেশী প্রথম জাতীয় সংসদে ভাষণ দেন- যুগোশ্লেভিয়ার প্রেসিডেন্ট মার্শাল জোসেফ টিটো-৩১ জানু, ১৯৭৪ এবং ভারতের প্রেসিডেন্ট ভি.ভি. গিরি-১৮ জুন, ১৯৭৪।    
  • বাংলাদেশের অষ্টম জাতীয় সংসদ নিবার্চনে নির্বাচিত একজন সদস্য নিজেই নিজের শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন, তিনি কে-এডভোকেট আবদুল হামিদ।                  
  • নির্বাচন কমিশন কার সমমর্যাদার অধিকারী-সুপ্রীম কোর্ট।
  • বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচন কমিশনার কে-বিচারপতি এম ইদ্রিস।                                          
  • বাংলাদেশের বর্তমান নির্বাচন কমিশনার কে-কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ                                 
  • নির্বাচন কমিশন একটি-স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।                                             
  • “তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল” কবে সংসদে পাশ হয়-২৭ মার্চ, ১৯৯৬।   

জাতীয় সংসদ ভবন:

  • জাতীয় সংসদ ভবন শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত
  • ভিত্তি প্রস্তুর স্থাপন করা হয় ১৯৬২ সালে ।
  • ভিত্তি প্রস্তুর স্থাপন করেন আইয়ুব খান ।
  • জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই-আই-কান ।
  • স্থপতি লুই-আই-কান যুক্তরাষ্ট্র এর নাগরিক ?
  • জাতীয় সংসদ ভবন ২১৫ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত।
  • নির্মান ব্যয় ১৯৭ কোটি টাকা ।
  • উদ্বোধন করা হয় ২৮ জানুয়ারি, ১৯৮২ সালে ।
  • উদ্বোধন করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তার ।
  • বর্তমান জাতীয় সংসদ ভবনে প্রথম অধিবেশন বসে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২ সালে ।
  • বর্তমান জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মানের আগে বাংলাদেশের সংসদ অধিবেশন বসত বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর কাযালয়ে ।
  • বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন ৯ তলা বিশিষ্ট ।
  • উচ্চতা ১৫৮ ফুট ৮ ইঞ্চি ।
  • সংসদ কক্ষের উচ্চতা ১১২ ফুট ।
  • জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্যদের আসন সংখ্যা ৩৫৪ টি ।
  • সংসদ ভবনে অতিথিদের আসন ৫৬ টি ।
  • কর্মকর্তাদের আসন ৪১ টি ।
  • সাংবাদিকদের আসন ৮০ টি ।দর্শকের আসন ৪৩০ টি ।
  • বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনে পাশের লেকটির নাম ক্রিসেন্ট লেক ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন:

  • প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন- ১৯৭৩ সালে
  • প্রথম নির্বাচনে আসনসংখ্যা- ৩১৫টি (সংরক্ষিত মহিলা আসন- ১৫টি)
  • প্রথম সংসদের অধিবেশন বসে- ১৯৭৩ সালে
  • প্রথম সংসদের স্পিকার- মোহাম্মদ উল্ল্যাহ
  • সরাসরি ভোটে নির্বাচিত একমাত্র প্রেসিডেন্ট- জিয়াউর রহমান

প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৭৩, বাংলাদেশে ৭ই মার্চ ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয় লাভ করে এবং ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টি আসন লাভ করে যেখানে এগারো জাতীয় সংসদ সদস্য অবাধে ভোটবিহীনভাবে জয় লাভ করে। মোট ভোট সংগৃহীত হয়েছিল ৫৪.৯%।

দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৭৯, বাংলাদেশে ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ সালে অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জয় লাভ করে; তারা জাতীয় সংসদের ৩০০টি আসনের মধ্যে ২০৭টি আসন লাভ করে। মোট ভোট সংগৃহীত হয়েছিল ৫১.৩%।

তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৮৬, বাংলাদেশে ৭ই মে ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে মোট ১,৫২৭ জন প্রার্থী অংশগ্রহন করে।[২]নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ৩০০টি আসনের মধ্যে ১৫৩টি আসন নিয়ে জয় লাভ করে। মোট ভোটারের ৬১.১% ভোট সংগৃহীত হয়েছিল।পূর্বের নির্বাচনের বিজয়ী বিএনপি এই নির্বাচনটি বর্জন করেছিল।

চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৮৮ বাংলাদেশে ৩রা মার্চ ১৯৮৮ সালে অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনটি বাংলাদেশের অধিকাংশ প্রধান দলই বর্জন করেছিল; যেমন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি,বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ, জাতীয় আওয়ামী পার্টি (মুজাফ্‌ফর) এবং বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি। নির্বাচনে জাতীয় পার্টি জয় লাভ করে, তারা ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৫১টি আসন লাভ করে। মোট ভোটারদের মধ্যে ৫২.৫% ভোট গৃহীত হয়েছিল।

পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৯১, বাংলাদেশে ২৭শে ফেব্রুয়ারি ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। নির্বাচনে দুটি প্রধান দল, আওয়ামী লীগেরনেতৃত্বে ছিল শেখ হাসিনা; বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বে ছিল খালেদা জিয়া। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের বিপরীতে ৪২৪জন সতন্ত্র প্রার্থীসহ ৭৫টি দল থেকে মোট ২৭৮৭ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেয়। নির্বাচনে খালেদা জিয়া নেতৃত্বাধীন বিএনপিজয় লাভ করে। তারা ৩০০টি আসনের মধ্যে ১৪০টি আসন লাভ করে। মোট ভোট গৃহীত হয়েছিল ৫৫.৪%।

ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৯৬, ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়। অধিকাংশ বিরোধী রাজনৈতিক দল নির্বাচনটি বর্জন করেছিল। মোট ভোট গৃহীত হয়েছিল মাত্র ২১%।বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নির্বাচনে জয় লাভ করে এবং ৩০০টি আসনের মধ্যে ৩০০টি আসনই লাভ করে।পরবর্তীতে নিরপেক্ষ নির্বাচন জুনে অনুষ্ঠিত হয়।

সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন জুন, ১৯৯৬, জুন ১২, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়।[৬] নির্বাচনে দুটি প্রধান দল, আওয়ামী লীগেরনেতৃত্বে ছিল শেখ হাসিনা; বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বে ছিল খালেদা জিয়া। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের বিপরীতে ২৮১জন সতন্ত্র প্রার্থীসহ ৮১টি দল থেকে মোট ২৫৭৪ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেয়। ৩০০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ১৪৬টি আসনে জয়লাভ করে। উক্ত নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থীরা ০.৬৭% এবং দলীয় প্রার্থীরা ৭৪.৮২% ভোট লাভ করে।

অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০০১, আক্টোবর ১, ২০০১ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে দুটি প্রধান দল, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ছিল শেখ হাসিনা; বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বে ছিল খালেদা জিয়া। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের বিপরীতে ৪৮৪জন সতন্ত্র প্রার্থীসহ ৫৪টি দল থেকে মোট ১৯৩৫ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেয়। এটি হলো ১৯৯৬ সালে চালু হওয়া তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে দ্বিতীয় নির্বাচন। নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় তত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান ছিলেন লতিফুর রহমান।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২৯শে ডিসেম্বর ২০০৮ সালে। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল তত্বাবধায়ক সরকারেরপ্রধান উপদেষ্ঠা ফখরুদ্দীন আহমদ-এর নেতৃত্বাধীন সামরিক সরকারের অধীনে। সামরিক সরকার ২০০৭ সালের শুরুর দিকে জরুড়ি অবস্থা জাড়ি করে যা ২০০৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর তুলে নেওয়া হয়

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০১৪ বাংলাদেশে ৫ই জানুয়ারি ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনটি নবম জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ অধিকাংশ দলই বর্জন করে এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ও সতন্ত্রসহ ১৭টি দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এছাড়াও নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ১৫৪টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা বিজয়ী হওয়ায় নির্বাচনটি নিয়ে অনেক বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

বাংলাদেশের সরকার- সংসদীয় পদ্ধতির

সংসদীয় পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপ্রধান- রাষ্ট্রপতি

সংসদীয় পদ্ধতিতে সরকারপ্রধান- প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম চলে- রাষ্ট্রপতির নামে

প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া কাজ রাষ্ট্রপতি এককভাবে করতে সক্ষম-প্রধান বিচারপতির নিয়োগ দান।                                      

রাষ্ট্রপতির মেয়াদকাল  বছর-কার্যভার গ্রহনের কাল থেকে ৫ বছর।                                         

একজন ব্যক্তি বাংলাদশের রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন  মেয়াদকাল-২ মেয়াদকাল।                                       

আদালতের এখতিয়ার নেই-রাষ্ট্রপতির উপর।

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে কাকে উদ্দেশ্য করে পদত্যাগ পত্র লিখবেন-স্পিকারের উদ্দেশ্যে।                                          

প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদের নিয়োগ প্রদান করেন কে-রাষ্ট্রপতি।                                       

এ্যার্টনি জেনারেল পদে নিয়োগ দান করেন কে-রাষ্ট্রপতি।

বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে-সৈয়দ নজরুল ইসলাম (অস্থায়ী)।                                         

এডভোকেট আবদুল হামিদ বাংলাদেশের তম প্রেসিডেন্ট-২০তম।                                          

বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে-তাজউদ্দিন আহমেদ।                                          

শেখ হাসিনা বর্তমানে বাংলাদেশের তম প্রধানমন্ত্রী-  ১৪ তম।                                  

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হতে হলে বয়স কমপক্ষে  হবে-৩৫ বছর।                                             

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে হলে বয়স কমপক্ষে  হতে হবে-২৫ বছর।                                   

জাতীয় সংসদের সদস্য হতে হলে বয়স কমপক্ষে  হতে হবে-২৫ বছর।

প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া কাজ রাষ্ট্রপতি এককভাবে করতে সক্ষম-প্রধান বিচারপতির নিয়োগ দান।                                      

রাষ্ট্রপতির মেয়াদকাল  বছর-কার্যভার গ্রহনের কাল থেকে ৫ বছর।                                         

একজন ব্যক্তি বাংলাদশের রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন  মেয়াদকাল-২ মেয়াদকাল।                                       

কার উপর আদালতের এখতিয়ার নেই-রাষ্ট্রপতি।                                    

জাতীয় সংসদের সভাপতি কে- স্পিকার।                                 

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে কাকে উদ্দেশ্য করে পদত্যাগ পত্র লিখবেন-স্পিকারের উদ্দেশ্যে।                                          

প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদের নিয়োগ প্রদান করেন কে-রাষ্ট্রপতি।                                       

এ্যার্টনি জেনারেল পদে নিয়োগ দান করেন কে-রাষ্ট্রপতি।                                        

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত -সুপ্রীম কোর্ট।                                          

সুপ্রীম কোর্টের কয়টি বিভাগ আছে-২টি । আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।                                        

সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের মেয়াদকাল -৬৭ বছর পর্যন্তু।

বাংলাদেশের সংসদের মোট আসন সংখ্যা টি-৩৫০ টি।                                           

সাধারন নির্বাচিত আসন সংখ্যা টি-৩০০ টি। মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন স্যখ্যা টি- ৫০ টি।                                    

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ১ নং আসন -পঞ্চগড়-১।                                         

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন -বান্দরবান।

গণ-পরিষদের প্রথম স্পিকার কে-শাহ আব্দুল হামিদ।                                             

গণ-পরিষদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার কে- মোহাম্মদ উল্ল্যাহ।

বর্তমান সরকারঃ

১) রাষ্ট্রপতি—- আব্দুল হামিদ খান (২০তম)
২) প্রধানমন্ত্রী —শেখ হাসিনা (১৪তম)
৩) বিচারপতি— সুরেন্দ্র কুমার (এস কে সিনহা ২১তম)
৪) বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর— ফজলে কবির। (১১তম)
৫) প্রধান নির্বাচন কমিশনার –কাজী রকিবউদ্দীন( ১১তম)
৬) পিএসসি এর চেয়ারম্যান— ইকরাম আহমেদ (১৩তম)

৭) এটর্নি জেনারেল এ্যাডভোকেট— মাহবুবে আলম (১৫তম)
৮) ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট —সাবের হোসেন চৌধুরী (২৮ তম এবং ১ম বাংলাদেশী)

 

 

বর্তমান মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রীদের তালিকা (প্রধানমন্ত্রীসহ বর্তমানে পূর্ণমন্ত্রী ৩২ জন):
.
নাম →→→ মন্ত্রণালয়/বিভাগ
শেখ হাসিনা → (প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ)
আবুল মাল আবদুল মুহিত → (অর্থমন্ত্রী)
আমির হোসেন আমু → (শিল্পমন্ত্রী)

তোফায়েল আহমেদ → (বাণিজ্যমন্ত্রী)
বেগম মতিয়া চৌধুরী → (কৃষিমন্ত্রী)
মোহাম্মদ নাসিম → (স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী)
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম → (জনপ্রশাসন মন্ত্রী)
খন্দকার মোশাররফ হোসেন → (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী)
রাশেদ খান মেনন → (বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী)
অধ্যক্ষ মতিউর রহমান → (ধর্ম মন্ত্রী)
ইঞ্জি. মোশাররফ হোসেন → (গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী)
আ. ক. ম মোজাম্মেল হক → (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী)
মোহাম্মদ ছায়েদুল হক → (মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী)
মুহাঃ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক → বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী
ওবায়দুল কাদের → সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী
হাসানুল হক ইনু → তথ্যমন্ত্রী

আনিসুল ইসলাম মাহমুদ → পানি সম্পদ

আনোয়ার হোসেন → পরিবেশ ও বন মন্ত্রী
নুরুল ইসলাম নাহিদ → শিক্ষামন্ত্রী
শাজাহান খান → নৌ-পরিবহন মন্ত্রী
আনিসুল হক → আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী
মোফাজ্জল হোসেন চৌ. মায়া → দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী
আবুল হাসান মাহমুদ আলী → পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মোঃ মুজিবুল হক → রেলপথমন্ত্রী
আ হ ম মুস্তফা কামাল → পরিকল্পনামন্ত্রী
মোস্তাফিজুর রহমান → প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী
আসাদুজ্জামান নূর → সংস্কৃতি বিষয়কমন্ত্রী
শামসুর রহমান শরীফ → ভূমিমন্ত্রী
নুরুল ইসলাম বি.এসসি → প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী
মোঃ কামরুল ইসলাম → খাদ্যমন্ত্রী
স্থপতি ইয়াফেস ওসমান → বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী
আসাদুজ্জামান খাঁন → স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.