Job Preparation-Bangla বাংলা সাহিত্যের সাহিত্য ও সাহিত্যিক

চাকরির প্রস্তুতি

বিষয়ঃ বাংলা

অধ্যায়ঃ বাংলা সাহিত্যের সাহিত্য ও সাহিত্যিক

Click here for download pdf file

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৭৬১৯৩৮):

তিনি বাংলা সাহিত্যে ‘অপরাজেয় কথাশিল্পী নামে পরিচিত। তিনি ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ‘জগত্তারিণী’ পদক এবং ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ডি.লিট উপাধি লাভ করেন।তিনি বাংলা সাহিত্যে উপন্যাস রচনার জন্য বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন।তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হচ্ছে বড়দিদি (এটি তার প্রথম উপন্যাস), শ্রীকান্ত (৪ খন্ডে রচিত এটি তার শ্রেষ্ঠ রচনা), পথের দাবী, গৃহদাহ, দেবদাস, শুভদা, চরিত্রহীন, দত্তা।

তার রচিত নাটক হচ্ছে ষোড়শী, বিজয়া, রমা।তিনি ‘নারীর মূল্য’ নামে একটি প্রবন্ধ রচনা করেন।কুন্তলীন পুরস্কার প্রাপ্ত ছোট গল্প ‘মন্দির’ তার প্রথম রচনা।

সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী (১৮৮০১৯৩১):

রায়নন্দিনী, তারাবাঈ তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস।

তিনি অনল প্রবাহ নামক একটি কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন যা ইংরেজ সরকার বাজেয়াপ্ত করে।

তার রচিত মহাকাব্য হচ্ছে স্পেন বিজয়কাব্য।

তুরস্ক ভ্রমণ তার রচিত প্রবন্ধ।

বেগম রোকেয়া (১৮৮০১৯৩২):

তিনি ছিলেন মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত। নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেন মুসলিম মহিলা সমিতি।

তার রচিত উপন্যাস হচ্ছে অবরোধবাসিনী (লেখিকার শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ), পদ্মরাগ, সুলতানার স্বপ্ন।তার রচিত প্রবন্ধ হচ্ছে মতিচুর (লেখিকার প্রথম গ্রন্থ)।

. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫১৯৬৯):

তিনি ১৯৬০ সালে বাংলা একাডেমিতে যোগদান করেন। ১৯৬৬ সালে তিনি বাংলা পঞ্জিকা সংস্কার করেন।

তার গবেষণামূলক গ্রন্থ হচ্ছে বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত, বাংলা সাহিত্যের কথা, ভাষা সাহিত্য, বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান। লেখকের অনুবাদগ্রন্থ হচ্ছে রুবাইয়াত ই ওমর খ্যায়াম।

এস ওয়াজেদ আলী (১৮৯০১৯৫১):

ঐতিহাসিক উপন্যাস ‘গ্রানাডার শেষ বীর’ তার শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।

তার রচিত প্রবন্ধ হচ্ছে ভবিষ্যতের বাঙালী, জীবনের শিল্প।

প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খা (১৮৯৪১৯৭৮):

 

আনোয়ার পাশা, কামাল পাশা, কাফেলা তার রচিত নাটক। 

 

ইস্তাম্বুলের যাত্রীর পত্র’ তার ভ্রমণকাহিনী।

তার গল্পগ্রন্থ হচ্ছে সোনার শিকল।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৯৪১৯৫০):

উপন্যাসিক হিসেবেই তিনি সর্বাধিক খ্যাতি অর্জন করেছেন। তার রচিত উপন্যাসগুলো হচ্ছে পথের পাচালী, আরণ্যক, অপরাজিত, অশনি সংকেত, অভিযাত্রিক। 

গোলাম মোস্তফা (১৮৫৭১৯৬৪):

তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে রক্তরাগ, হাসনাহেনা, বুলবুলিস্থান, বনি আদম, সাহারা।

হযরত মোহাম্মদ (সা:) এর জীবনী ‘বিশ্বনবী’ তার শ্রেষ্ঠ রচনা।

আবুল মনসুর আহমদ (১৮৯৮১৯৭৯):
তার রচিত উপন্যাস হচ্ছে আবে হায়াত, জীবনক্ষুধা, সত্যমিথ্যা।

তার রচিত রম্যরচনা (গল্প) হচ্ছে আয়না, ফুড কনফারেন্স, আসমানী পর্দা, গ্যালিভারের সফরনামা।

তার রচিত প্রবন্ধ হচ্ছে আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর (আত্নজীবনী), পাক বাংলার কালচার। 

জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯১৯৫৪):
রুপসী বাংলার কবি, নির্জনতার কবি, তিমির হননের কবি, ধূসরতার কবি এবং তিরিশের দশকের তথাকথিত জনবিচ্ছিন্ন কবি প্রভৃতি নামে তিনি পরিচিত।

তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে ঝরা পালক (তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ), ধূসর পান্ডুলিপি, সাত তারার তিমির, বেলা অবেলা কালবেলা, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী।

মাল্যবান, সতীর্থ তার রচিত উপন্যাস। 

তার উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ হচ্ছে কবিতার কথা, কেন লিখি।

জসিম উদ্দীন (১৯০৩১৯৭৬):

কবির রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো হচ্ছে রাখালী (কবির প্রথম গ্রন্থ), নকশী কাথার মাঠ (কবির শ্রেষ্ঠ রচনা), সোজন বাদিয়ার ঘাট, বালুচর, মাটির কান্না, রূপবতী, মা যে জননী কান্দে, ধানক্ষেত, সূচয়িনী।লেখকের নাটকগুলো হচ্ছে বেদের মেয়ে, পল্লীবধূ, মধুমালা, পদ্মপার, গ্রামের মায়া। 

বোবা কাহিনী জসিম উদ্দীন রচিত উপন্যাস।

চলে মুসাফির, যে দেশে মানুষ বড়, হলদে পরীর দেশ লেখকের ভ্রমণকাহিনী মূলক গ্রন্থ।

সৈয়দ মুজতবা আলী (১৯০৪১৯৭৪):

জন্মঃ ১৯০৪ সালের ১৩ই সেপ্টেম্বর সিলেট জেলায়;
মৃত্যুঃ ১৯৭৪ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি ঢাকায়।

সাহিত্যকর্মঃ
উপন্যাসঃ অবিশ্বাস্য, শবনম, তুলনাহীনা (শেষ উপন্যাস);

ভ্রমণকাহিনীঃ দেশে বিদেশে (কাবুল শহরের কাহিনী);

রম্যগল্পঃ পঞ্চতন্ত্র, চাঁচা কাহিনী, ময়ূরকণ্ঠী, টুনিমেম;

ছোটগল্পঃ পাদটীকা।

বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা কিছু মূল্যবান তথ্যঃ

কাজী নজরুল ইসলামের পর বাংলা সাহিত্যে সবচেয়ে বেশি আরবি ফারসি শব্দ ব্যবহার করেন- সৈয়দ মুজতবা আলী;

রম্য রচনার লেখক হিসেবে সুপরিচিত- সৈয়দ মুজতবা আলী;

“দেশে বিদেশে” বইয়ে কোন শহরের কথা প্রাধান্য পেয়েছে- কাবুল;

আলীর রচনা নয়- পথে প্রবাসে (এটা অন্নদা শঙ্কর রায়ের ভ্রমণকাহিনী)।

বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮১৯৭৪):

রবীন্দ্রনাথের পর বুদ্ধদেব বসুকে ‘সব্যসাচী লেখক’ বলা হয়।

বুদ্ধদেব বসু  কবি হিসেবে খ্যাত- ত্রিশ দশকে

তার রচিত কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে বন্দীর বন্দনা, কঙ্কাবতী।

প্রবন্ধঃ হঠাৎ আলোর ঝলকানি।

তার উল্লেখযোগ্য কাব্যনাট্য হচ্ছে তপস্বী তরঙ্গিনী, কলকাতার ইলেকট্রা 3 সত্যসন্ধ। 

নির্জন স্বাক্ষর, জঙ্গম, তিথিডোর বুদ্ধদেব রচিত উপন্যাস। 

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯০৮১৯৫৬):
মার্কসবাদী উপন্যাসিক হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তার রচিত উপন্যাস হচ্ছে জননী, পদ্মা নদীর মাঝি, নুতুল নাচের ইতিকথা, দিবারাত্রির কাব্য। 

সুফিয়া কামাল (১৯১১১৯৯৯):

তার রচিত কাব্য গ্রন্থ হচ্ছে সাঝের মায়া, মায়া কাজল, উদাত্ত পৃথিবী, অভিযাত্রিক। লেখিকার শিশুতোষ গ্রন্থ হচ্ছে ইতল বিতল, নওল কিশোরের দরবারে। কেয়ার কাটা (লেখিকার প্রথম গ্রন্থ) লেখিকার গল্পগ্রন্থ।

লেখিকার আত্নজীবনী হচ্ছে একালে আমাদের কাল।

আহসান হাবীব (১৯১৭১৯৮৫):

তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে রাত্রিশেষ, ছায়া হরিণ, সারা দুপুর, আশায় বসতি, মেঘ বলে চৈত্রে যাব।

তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হচ্ছে অরণ্যে নীলিমা, রানী খালের সাকো।

শওকত ওসমান (১৯১৭১৯৯৮):

উপন্যাসঃ জননী (প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ), ক্রীতদাসের হাসি (প্রতিকাশ্রয়ী কবিতা, এটার জন্য আদমজি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন), বনি আদম, রাজা উপাখ্যান, চৌরসন্ধি;

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসঃ জাহান্নাম হতে বিদায়, দুই সৈনিক, নেকড়ে অরণ্য;

প্রবন্ধঃ সংস্কৃতির চড়াই উৎরাই;

নাটকঃ আমলার মামলা, কাঁকর মনি, তস্কর ও লস্কর;

গল্পঃ পিজরাপোল, জন্ম যদি তব বঙ্গে (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক), ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বী (গল্পগ্রন্থের জন্য ফিলিপস পুরস্কার পান);

শিশুতোষঃ ওটেন সাহেবের বাংলো;

ফররুখ আহমদ (১৯১৮১৯৭৪):

কাব্যগ্রন্থ:

সাত সাগরের মাঝি,সিরাজাম মুনীরা,নৌফেল ও হাতেম ,মুহূর্তের কবিতা,ধোলাই কাব্য ,হাতেম তায়ী ,নতুন লেখা,কাফেলা ,হাবিদা মরুর কাহিনী,সিন্দাবাদ ,দিলরুবা 

শিশুতোষ গ্রন্থ:

পাখির বাসা ,হরফের ছড়া,চাঁদের আসর,ছড়ার আসর ,ফুলের জলসা 

সৈয়দ আলী আহসান (১৯২২২০০২):

কাব্যগ্রন্থঃ অনেক আকাশ,একক সন্ধ্যায় বসন্ত,সহসা সচকি্‌,উচ্চারণ ,আমার প্রতিদিনের শব্দ,প্রেম যেখানে সর্বস্ব

প্রবন্ধ গ্রন্থ:

বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত (আধুনিক যুগ) [মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের সাথে] (১৯৫৬),কবিতার কথা (১৯৫৭),কবিতার কথা ও অন্যান্য বিবেচনা (১৯৬৮),আধুনিক বাংলা কবিতা : শব্দের অনুষঙ্গে (১৯৭০),রবীন্দ্রনাথ : কাব্য বিচারের ভূমিকা (১৯৭৩), মধুসূদন : কবিকৃতি ও কাব্যাদর্শ

(১৯৭৬)আধুনিক জার্মান সাহিত্য (১৯৭৬)যখন কলকাতায় ছিলাম, আহমদ পাবলিশিং হাউজ, ২০০৪বাংলা সাহিত্যে ইতিহাস মধ্যযুগশিল্পবোধ ও শিল্পচৈতন্য

সম্পাদিত গ্রন্থঃ  পদ্মাবতী (১৯৬৮),মধুমালতী (১৯৭১)

অনূদিত গ্রন্থঃ ইকবালের কবিতা (১৯৫২),প্রেমের কবিতা (১৯৬০),ইতিহাস (১৯৬৮)

ইসলামী গ্রন্থঃ মহানবী,আল্লাহ আমার প্রভু

অন্যান্য গ্রন্থঃ যখন সময় এলো,রক্তাক্ত বাংলা,পাণ্ডুলিপি,বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা,রজনীগন্ধা,চর্যাগীতিকা,আমাদের আত্মপরিচয় এবং বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ,১৯৭৫ সাল, বাংলাদেশের সংস্কৃতি

সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ(১৯২২১৯৭১):

উপন্যাস : লালসালু (১৯৪৮), চাঁদের অমাবস্যা (১৯৬৪), কাঁদো নদী কাঁদো (১৯৬৮)। 

ছোটগল্প : নয়নচারা (১৯৫১), দুই তীর ও অন্যান্য গল্প, 

নাটক : বহিপীর (১৯৬০), তরঙ্গভঙ্গ (১৯৬৪) সুদঙ্গ (১৯৬৪)। 

পুরষ্কার : একুশে পদক (মরণোত্তর), ১৯৮৪

মুনীর চৌধুরী (১৯২৫১৯৭১):

উদ্ভাবিত বাংলা টাইপ রাইটিং এর নামঃ মুনীর অপটিমা(১৯৬৫)

নাটকঃ রক্তাক্ত প্রান্তরঃ নাটকটি ঐতিহাসিক ।মূল উপজীব্য ১৭৬১ সালের পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ এবং এর জন্য ১৯৬২ সালে বাংলা একাডেমী পুরস্কার পান। এর কাহিনী কায়কোবাদের “মহাশ্মশান ’’ গ্রন্থ থেকে নেয়া।

কবরঃ ৫২ এর ভাষা আন্দোলন বিষয় । নাটকটি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকাকালীন লিখেছেন এবং নাটকটি রাজবন্দীদের দ্বারা অভিনীত হয়।

পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য,দন্ডাকারণ্য,চিঠি,মানুষ

মুখরা রমনী বশীকরণঃ শেক্সপিয়ারের “ The Taming of the Shrew ’’ এর অনুবাদ

প্রবন্ধঃ  মীর মানস (দাউদ পুরস্কার লাভ),বাংলা গদ্যরীতি

সুকান্ত ভট্টাচার্য (১৯২৬১৯৪৭):

সুকান্ত কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা দৈনিক স্বাধীনতার (১৯৪৫) ‘কিশোর সভা’ বিভাগ সম্পাদনা করতেন। মার্কসবাদী চেতনায় আস্থাশীল কবি হিসেবে সুকান্ত কবিতা লিখে বাংলা সাহিত্যে স্বতন্ত্র স্থান করে নেন।

তাঁর রচনাবলির মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো: ছাড়পত্র (১৯৪৭), পূর্বাভাস (১৯৫০), মিঠেকড়া (১৯৫১), অভিযান (১৯৫৩), ঘুম নেই (১৯৫৪), হরতাল (১৯৬২), গীতিগুচ্ছ (১৯৬৫) প্রভৃতি।

পরবর্তীকালে উভয় বাংলা থেকে সুকান্ত সমগ্র নামে তাঁর রচনাবলি প্রকাশিত হয়। সুকান্ত ফ্যাসিবাদবিরোধী লেখক ও শিল্পিসঙ্ঘের পক্ষে আকাল (১৯৪৪) নামে একটি কাব্যগ্রন্থ সম্পাদনা করেন।

শামসুদ্দীন আবুল কালাম (১৯২৬১৯৯৭):

উপন্যাস বিভাগে বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার পান ১৯৬৪ সালে। ততদিনে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর চারটি উপন্যাস কাশবনের কন্যা (১৯৫৪), আলমনগরের উপকথা/দুই মহল (১৯৫৫), কাঞ্চনমালা (১৯৫৬), জীবনকাব্য (১৯৫৬).পরে প্রকাশিত হয়েছে ছয়টি উপন্যাস

(জায়জঙ্গল (১৯৭৮), সমুদ্রবাসর (১৯৮৬), নবান্ন (১৯৮৭), যার সাথে যার (১৯৮৬), মনের মতো ঠাঁই (১৯৮৫), কাঞ্চনগ্রাম (১৯৯৭)।

ছোটগল্পকার হিসেবেও সমান খ্যাতিমান ছিলেন শামসুদ্দীন আবুল কালাম। তাঁর প্রকাশিত গল্পগ্রন্থের সংখ্যা সাত—শাহের বানু (১৯৪৫), পথ জানা নাই (১৯৪৮), অনেক দিনের আশা (১৯৪৯), ঢেউ (১৯৫৩), দুই হৃদয়ের তীর (১৯৫৫), পুঁই ডালিমের কাব্য (১৯৮০), মজা গাঙের বান (১৯৮০).ছোটদের জন্য লিখেছেন— দুঃখমোচন (১৯৪৫), সবাই যাকে করলো হেলা (১৯৫৮).তবে তাঁর লেখা আরও অনেক গল্প-উপন্যাস গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রয়ে গেছে এখনও। তিনি লিখতেন ‘আবুল কালাম শামসুদ্দীন’ নামে, কিন্তু প্রখ্যাত সাংবাদিক-সাহিত্যিক আবুল কালাম শামসুদ্দীন (১৮৯৭-১৯৭৮)-এর সঙ্গে নামবিভ্রাট এড়াতে নিজেকে বদলে নেন ‘শামসুদ্দীন আবুল কালাম’ নামে।

আবু ইসহাক (১৯২৬২০০৩):

উপন্যাসঃ সূর্য দীঘল বাড়ি,পদ্মার পলিদ্বীপ,জাল 

গল্পঃ হারেম,মহাপতঙ্গ 

পুরস্কারঃ বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬৩),সুন্দরবন সাহিত্যপদক (১৯৮১,একুশে পদক (১৯৯৭)

শহীদুল্লা কায়সার (১৯২৭-১৯৭১)

উপন্যাসঃ সারেং বৌ(১৯৬২) ,সংশপ্তক(১৯৬৪)

পুরস্কারঃ আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬২)বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬২)

শহীদুল্লা কায়সার (1927-1971):
জন্মঃ ১৯২৭ সালের ১৬ই ফেব্রুয়ারি ফেনীতে;
মৃত্যুঃ ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর “আল বদর বাহিনী” তাকে অপহরন করে।
শহীদুল্লা কায়সার পেশায় ছিলেন একজন সাংবাদিক;ঔপন্যাসিক হিসেবে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন;তিনি ছিলেন ১৯৭১ এর একজন “শহীদ বুদ্ধিজীবী”;

সাহিত্যকর্মঃ
উপন্যাসঃ সারেং বউ (তাঁর প্রথম উপন্যাস, সমুদ্র উপকূলের জনপদের চিত্র, উপন্যাসটির জন্য তিনি “আদমজি পুরস্কার” ও “বাংলা একাডেমী পুরস্কার” পান), সংশপ্তক;

প্রবন্ধঃ পেশোয়ার হতে তাশখন্দ (ভ্রমনকাহিনী), রাজবন্দীর রোজনামচা (স্মৃতিকথা);

বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা কিছু মূল্যবান তথ্যঃ শহীদুল্লা কায়সার পেশায় ছিলেন- সাংবাদিক;“সংশপ্তক”, “সারেং বউ” কার রচনা- শহীদুল্লা কায়সার;“সংশপ্তক”, “সারেং বউ” কোন ধরনের রচনা- উপন্যাস

আলাউদ্দিন আল আজাদ(১৯৩২২০০৯):

তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা সমূহঃ

১.তেইশ নম্বর তৈলচিত্র (১৯৬০), ২.শীতের শেষরাত বসন্তের প্রথম দিন (১৯৬২), ৩.কর্ণফুলী (১৯৬২), ৪.ক্ষুধা ও আশা (১৯৬৪), ৫.খসড়া কাগজ (১৯৮৬), ৬.শ্যাম ছায়ার সংবাদ (১৯৮৬), ৭.জ্যোৎস্নার অজানা জীবন (১৯৮৬), ৮.যেখানে দাঁড়িয়ে আছি (১৯৮৬), ৯.স্বাগতম ভালোবাসা (১৯৯০), ১০.অপর যোদ্ধারা (১৯৯২), ১১.পুরানা পল্টন (১৯৯২), ১২.অন্তরীক্ষে বৃক্ষরাজি (১৯৯২), ১৩.প্রিয় প্রিন্স (১৯৯৫), ১৪.ক্যাম্পাস (১৯৯৪), ১৫.অনূদিত অন্ধকার (১৯৯১), ১৬.স্বপ্নশীলা (১৯৯২), ১৭.কালো জ্যোৎস্নায় চন্দ্রমল্লিকা (১৯৯৬), ১৮.বিশৃঙ্খলা (১৯৯৭)

গল্প গ্রন্থঃ ১.জেগে আছি, ২.ধানকন্যা, ৩.মৃগনাভি, ৪.অন্ধকার সিঁড়ি, ৫.উজান তরঙ্গে, ৬.যখন সৈকত, ৭.আমার রক্ত স্বপ্ন আমার

কাব্য গ্রন্থঃ ১.মানচিত্র, ২.ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ, ৩.সূর্য জ্বালার স্বপন, ৪.লেলিহান পান্ডুলিপি

নাটকঃ ১.এহুদের মেয়ে, ২.মরোক্কোর জাদুকর, ৩.ধন্যবাদ, ৪. মায়াবী প্রহর, ৫.সংবাদ শেষাংশ। রচনাবলীঃ শিল্পের সাধনা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের ওপর লেখা বই “ফেরারী ডায়েরী (১৯৭৮)”

জহির রায়হান (১৯৩৫১৯৭২):

উপন্যাস:

শেষ বিকেলের মেয়ে (১৯৬০).প্রথম উপন্যাস। প্রকাশকঃ সন্ধানী প্রকাশনী। রোমান্টিক প্রেমের উপাখ্যান।

হাজার বছর ধরে (১৯৬৪).আবহমান বাংলার গ্রামীণ জীবনের পটভূমিতে রচিত আখ্যান। (চলচ্চিত্ররূপ, ২০০৫)আরেক ফাল্গুন (১৯৬৯).বায়ান্নর রক্তস্নাত ভাষা-আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত কথামালা।

বরফ গলা নদী (১৯৬৯).প্রথম প্রকাশঃ ‘উত্তরণ’ সাময়িকী। অর্থনৈতিক কারণে বিপর্যস্ত ক্ষয়িষ্ণু মধ্যবিত্ত পরিবারের অসহায়ত্ব গাঁথা।আর কত দিন (১৯৭০).অবরুদ্ধ ও পদদলিত মানবাত্নার আন্তর্জাতিক রূপ এবং সংগ্রাম ও স্বপ্নের আত্নকথা।

অন্যান্য রচনা:

সূর্যগ্রহণ। প্রথম গল্পগ্রন্থ। ১৩৬২ বাংলা, তৃষ্ণা (১৯৬২), একুশে ফেব্রুয়ারি (১৯৭০), কয়েকটি মৃত্য।

জহির রায়হান পরিচালিত চলচ্চিত্রসমূহ হচ্ছেঃ

কখনো আসেনি (১৯৬১), সোনার কাজল (১৯৬২), (কলিম শরাফীর সঙ্গে যৌথভাবে) কাঁচের দেয়াল (১৯৬৩), সঙ্গম (১৯৬৪), বাহানা (১৯৬৫), আনোয়ারা (১৯৬৭), বেহুলা (১৯৬৬), জ্বলতে সূরযকে নীচে, জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০), স্টপ জেনোসাইড (চলচ্চিত্র) (১৯৭১), এ স্টেট ইজ বর্ন (১৯৭১), লেট দেয়ার বি লাইট (অসমাপ্ত) (১৯৭০).

**পত্রিকা সম্পাদনাঃ এক্সপ্রেস (ইংরেজি সাপ্তাহিক),প্রবাহ (বাংলা মাসিক)

শামসুর রাহমান (১৯২৯২০০৬):

শামসুর রাহমানের গ্রন্থের সংখ্যা শতাধিক। বিভিন্ন ভাষায় তাঁর কবিতা অনূদিত হয়েছে। ১৯৭৫ সালে কলকাতা থেকে কবীর চৌধুরীর অনুবাদে প্রকাশিত হয় ‘শামসুর রাহমান: সিলেকটেড পোয়েমস’.কবিতার বাইরেও বিভিন্ন সময়ে তাঁর রচিত শিশুসাহিত্য, অনুবাদ, গল্প, উপন্যাস,

সাংবাদিক ও সাহিত্যিক গদ্য নিয়ে বহু গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। বেশকিছু জনপ্রিয় গানের গীতিকারও তিনি। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে (১৯৬০), রৌদ্র করোটিতে (১৯৬৩), বিধ্বস্ত নীলিমা (১৯৬৭), নিরালোকে দিব্যরথ (১৯৬৮), নিজ বাসভূমে (১৯৭০), বন্দি শিবির থেকে (১৯৭২), ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা (১৯৭৪), আমি অনাহারী (১৯৭৬), শূন্যতায় তুমি শোকসভা (১৯৭৭), বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে (১৯৭৭), প্রেমের কবিতা (১৯৮১), ইকারুসের আকাশ (১৯৮২), উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ (১৯৮২), বুক তার বাংলাদেশের হৃদয় (১৯৮৮), হরিণের হাড় (১৯৯৩), তুমিই নিঃশ্বাস, তুমিই হৃদস্পন্দন (১৯৯৬), হেমন্ত সন্ধ্যায় কিছুকাল (১৯৯৭)। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত হয়েছে শামসুর রাহমানের শ্রেষ্ঠ কবিতা, শামসুর রাহমানের নির্বাচিত কবিতা ও শামসুর রাহমানের রাজনৈতিক কবিতা।

শিশুতোষ গ্রন্থগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য: এলাটিং বেলাটিং (১৯৭৫), ধান ভানলে কুঁড়ো দেবো (১৯৭৭), স্মৃতির শহর (১৯৭৯), লাল ফুলকির ছড়া (১৯৯৫)। অনুবাদ গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে: মার্কোমিলিয়ানস (১৯৬৭), রবার্ট ফ্রস্টের নির্বাচিত কবিতা (১৯৬৮), হৃদয়ে ঋতু, হ্যামলেট,

ডেনমার্কের যুবরাজ (১৯৯৫).সম্পাদিত গ্রন্থ হাসান হাফিজুর রহমানের অপ্রকাশিত কবিতা (বাংলা ১৩৯২), দুই বাংলার ভালবাসার কবিতা (যৌথভাবে) এবং দুই বাংলার বিরহের কবিতা (যৌথভাবে)। অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে শামসুর রাহমানের গল্প, শামসুর রাহমানের প্রবন্ধ এবং উপন্যাস অক্টোপাস ।

শামসুর রাহমান অসংখ্য পুরস্কার, পদক ও সম্মাননা লাভ করেছেন। অনেক প্রতিষ্ঠানই তাঁকে সম্মানিত করতে পেরে নিজেরা সম্মানিত বোধ করেছে। উল্লেখযোগ্য পুরস্কারের মধ্যে রয়েছে: আদমজী পুরস্কার (১৯৬৩), বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬৯), একুশে পদক (১৯৭৭),

স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৯১), সাংবাদিকতায় জাপানের মিত্সুবিশি পদক (১৯৯২), ভারতের আনন্দ পুরস্কার (১৯৯৪)। এছাড়া ভারতের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডি.লিট. উপাধি প্রদান করেছে। শামসুর রাহমানকে প্রথম বড় মাপের সংবর্ধনা প্রদান করা হয় ১৯৭৯ সালের ২৪ অক্টোবর। পঞ্চাশ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে শামসুর রাহমান সংবর্ধনা পরিষদ বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গনে তাঁকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করে। কবি ও সাংবাদিক হিসেবে সম্মানিত হয়ে তিনি ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, সোভিয়েত ইউনিয়ন, বার্মা (মায়ানমার), জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও ভারতসহ

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন।

সৈয়দ শামসুল হক (১৯৩৫বর্তমান):

সৈয়দ শামসুল হক ১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর কুড়িগ্রামে জম্নগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের বর্তমান সাহিত্যাঙ্গনে তাকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়। 

লেখকের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হচ্ছে নিষিদ্ধ লোবান (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক), নীলদংশন (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক), খেলারাম খেলে যা, সীমানা ছাড়িয়ে।সৈয়দ শামসুল হকের উল্লেখযোগ্য নাটক হচ্ছে পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক), নুরুলদিনের সারাজীবন।

আল মাহমুদ (১৯৩৬বর্তমান):

প্রকাশিত গ্রন্থঃলোক লোকান্তর,কালের কলস,সোনালী কাবিন,মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো ,আরব্য রজনীর রাজহাঁস,বখতিয়ারের ঘোড়া,Al Mahmud In English,দিনযাপন,দ্বিতীয় ভাংগন,একটি পাখি লেজ ঝোলা,আল মাহমুদরে গল্প,গল্পসমগ্র,প্রেমের গল্প,যেভাবে গড়ে উঠি,কিশোর সমগ্র,কবির আত্নবিশ্বাস,কবিতাসমগ্র,কবিতাসমগ্র-২,পানকৌড়ির রক্ত,সৌরভের কাছে পরাজিত,গন্ধ বণিক,ময়ূরীর মুখ,না কোন শূণ্যতা মানি না,নদীর ভেতরের নদী,পাখির কাছে , ফুলের কাছে,প্রেম ও ভালোবাসার কবিতা,প্রেম প্রকৃতির দ্রোহ আর প্রার্থনা কবিতা,প্রেমের কবিতা

সমগ্র,উপমহাদেশ,বিচূর্ণ আয়নায় কবির মুখ,উপন্যাস সমগ্র-১,উপন্যাস সমগ্র-২,উপন্যাস সমগ্র-৩,ত্রিশেরা,উড়াল কাব্য.

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (১৯৪৩১৯৯৭):

উপন্যাসঃ চিলেকোঠার সেপাই,খোয়াবনামা (১৯৯৬)

ছোট গল্প সংকলন: অন্য ঘরে অন্য স্বর (১৯৭৬)খোঁয়ারি (১৯৮২)দুধভাতে উৎপাত (১৯৮৫)দোজখের ওম (১৯৮৯)জাল স্বপ্ন, স্বপ্নের জাল (১৯৯৭)

প্রবন্ধ সংকলন: সংস্কৃতির ভাঙ্গা সেতু 

ছোট গল্প তালিকা: প্রেমের গপ্পো,রেইনকোট,জাল স্বপ্ন, স্বপ্নের জাল,ফোঁড়া,কান্না,নিরুদ্দেশ যাত্রা,যুগলবন্দি,ফেরারী,অপঘাত,পায়ের নিচে জল,দুধভাতে উৎপাত,সন্তু,ঈদ,মিলির হাতে স্টেনগান

দীনবন্ধু মিত্র:

মনে রাখার উপায়ঃ

নাটক প্রহসনঃ নবীন জামাই কমল সধবার একাদশীতে লীলাবতীকেনিয়ে নীলদর্পণ নাটক দেখলে এক বুড়ো তাকে বিয়ে করার জন্য পাগল হয়ে যায়। 

প্রহসনঃ বিয়ে পাগলা বুড়ো, সধবার একাদশী

নাটকঃ জামাই বারিক , লীলাবতী, নবীন তপস্বিনী ,কমলে কাহিনী ,নীল দর্পণ

নীল দর্পণ(1860 সালে) – ঢাকা থেকে প্রকাশিত ১ম গ্রন্থ।

গিরিশচন্দ্র ঘোষ রচিত নাটক ও পৌরনিক নাটক সহজে মনে রাখার উপায়

ঐতিহাসিক ও পৌরণিক নাটকঃ  ছত্রপতি শিবাজীর মী-সি-লে রাবন পান্ডবকে বধ করে  অ -জানা বনবাসে সীতাকে হরণ করলেন

ছত্রপতি শিবাজী
মী – মীরজাফর
সি –সিরাজদ্দৌলা
লে- লক্ষণবধ
রাবনবধ
পান্ডব গৌরব
অভিমন্যু বধ ও সীতা হরণ – পৌরণিক
জনা

দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ঃ

মনে রাখার উপায়ঃ

নাটকঃ   ক –সি সাবনূর প্রায় এক ঘরে জন্ম নিলে প্রতাপ চন্দ্র দাসের আনন্দের পতন ঘটে

ক – কল্কি অবতার
সি –সিংহল বিজয়
সাবনুর- বঙ্গনারী
সা- সাজাহান
নূর-নূরজাহান
প্রায় – প্রায়চিত্ত
জন্ম – পূনর্জন্ম
প্রতাপ -প্রতাপ সিংহ
চন্দ্র –চন্দ্রগুপ্ত
দাস –দূর্গাদাস
আনন্দ – আনন্দ বিদায়

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ঃ

গল্প ও উপন্যাস সহজে মনে রাখার উপায়ঃ

গল্পঃ বিলাসীর মেজদিদি বিন্দুর দুই ছেলে মহেশ ও পরেশ আর এক মেয়ে সতী, মন্দিরের জমি নিয়ে মামলার ফলে তারা আজ কপর্দকশূন্য

ছবি,বিলাসী,পরেশ,সতী,মহেশ,মন্দির,মামলার ফল,বিন্দুর ছেলে,মেজদিদি

উপন্যাসঃ  অরক্ষনীয় গৃহের ছবি দেখে কাশীনাথ শ্রীকান্তকে বললেন “চরিত্রহীন দেবদাস পশুর সমান

চ – চরিত্রহীন
দেব- দেবদাস, দেনাপাওনা
দাস – বিপ্রদাশ
প-পরিনীতা
শু- পন্ডিত মশাই
র- পথের দাবী
স- পল্লী সমাজ
মা- রামের সুমতি
ন –চন্দ্রনাথ

ইসমাইল হোসেন সিরাজীঃ

মনে রাখার উপায়ঃ

উপন্যাসঃ  রানুর ফিতা

রা – রায় নন্দিনী
নুর-নুর উদ্দিন
ফি- ফিরোজা বেগম
তা – তারাবাঈ

কাব্য মহাকাব্যঃ  (নব-উদ্দীপনা উচ্ছাসে অনল প্রবাহে তুরস্কে ভ্রমন করে স্পেন বিজয় করল)

কাব্যঃ  নবউদ্দীপনা,উচ্ছ্বাস,অনল প্রবাহ

ভ্রমণ কাহিনীঃ  তুরস্ক ভ্রমন

মহাকাব্যঃ স্পেন বিজয়

ফররুখ আহমদঃ

মনে রাখার উপায়ঃ

কাব্যঃ (সাত সাগরের মাঝি সিরাজুম মুনীরা মুহূর্তের মধ্যেই নৌফেল ও হাতেম তাই এর জন্য পাখির বাসা বানাল)

সাত সাগরের মাঝি,সিরাজুম মুনীরা,মুহূর্তের কবিতা,হাতেম তাই,নৌফেল ও হাতেম,পাখির বাসা, দরিয়া, শেষ রাত্রি, লাশ – সাত সাগরের মাঝি কাব্যের অন্তর্গত।

নবীন চন্দ্র সেনঃ

মনে রাখার উপায়ঃ (পলাশীর যুদ্ধ এবং কুরুক্ষেত্রে যুদ্ধের দুই সৈনিক রৈবতক আর প্রভাস যুদ্ধ না করে অবকাশ রঞ্জিনী পালন করছিল)

পলাশীর যুদ্ধ – গাঁথাকাব্য
কুরুক্ষেত্র, রৈবতক, প্রভাস – ত্রয়ী মহাকাব্য
অবকাশ রঞ্জিনী- কাব্য

মুনীর চৌধুরীরঃ

মনে রাখার উপায়ঃ (মুখরা রমনীর শয়নকক্ষে রুপার কৌটায় রাখা দন্ডকারন্যের রক্তাক্ত প্রান্তরে কবরে শায়িত এক যোদ্ধার চিঠির বিষয়ে ঘরের কেউ কিছু বলতে পারেনা)

অনুবাদ নাটকঃ মুখরা রমনী বশীকরন,রুপার কৌটা,কেউ কিছু বলতে পারেনা

নাটকঃ  রক্তাক্ত প্রান্তর,চিঠি,দন্ডকারন্য,কবর

জসীম উদ্দীনের:

মনে রাখার উপায়ঃ

নাটকঃ  (পদ্মা পাড়ের বেদের মেয়ে মধুমালার সাথে অন্য গ্রামের মেয়ে এক পল্লীবধূর বন্ধুত্ব সবার মুখে মুখে)

পদ্মাপাড়,বেদের মেয়ে,মধুমালা,পল্লীবধূ,গ্রামের মেয়ে

উপন্যাস: বোবা কাহিনী

কাব্যঃ (হলুদ বরনীর দেশে হাসু , ডালিম কুমার, সখিনা ও সূচয়নী ভয়াবহ সেই দিনগুলোতে এক পয়সার বাশি বাজিয়ে ধানক্ষেতের বালুচরে মাটির তৈরী কবর জলে লেখা নকশী কাথার কাফন মুড়িয়ে সোজন বাদিয়ার ঘাটে এসে রাখালীর মা পল্লী জননী রঙ্গিলা নায়ের মাঝির জন্য কাঁদতে লাগল)

হলুদ বরনী,জলে লেখন,হাসু,নকশী কাথার মাঠ,ডালিম কুমার,কাফনের মিছিল,সখিনা,সোজন বাদিয়ার ঘাঁট,সূচয়নী,রাখালীর মা,ভয়াবহ সেই দিনগুলোতে,রঙ্গিলা নায়ের মাঝি,এক পয়সার বাশি,মা যে জননী কাদে,ধানক্ষেত,বালুচর,মাটির কান্না

জীবনানন্দ দাশঃ

মনে রাখার উপায়ঃ (সতীর্থ তার জলপাইহাটী নিবাসী বান্ধবী কবিতার কথায় তার ছোট বোন কল্যানীকে মাল্যদান করল)

উপন্যাসঃ জলপাই হাটি,সতীর্থ,কল্যানী,মাল্যদান

প্রবন্ধঃ কবিতার কথা

কাব্যঃ (এই মহাপৃথিবীর মাঝে বেলা অবেলা কালবেলায় সাতটি তারার তিমিরে রুপসী বাংলার মেয়ে বনলতা সেন কুড়িয়ে পাওয়া ঝরা পালকটি ধূসর পান্ডুলিপির ভেতর যত্ন করে রাখল)

রুপসী বাংলা,বনলতা সেন,ধূসর পান্ডুলিপি,ঝরাপালক,বেলা অবেলা কালবেলা,সাতটি তারার তিমির,মহা পৃথিবী

মীর মশাররফ হোসেন:

মনে রাখার উপায়:

প্রহসনঃ ভাইয়ে ভাইয়ে ফাঁস কাগজে একি করল ? এর উপায় কি?

ভাই ভাই এই তো চাই,একি,এর উপায় কি,ফাঁস কাগজ

নাটকঃ  বেটা বসন্ত জমিদার

বে – বেহুলা গীতাভিনয়
টা- টালা অভিনয়
বসন্ত – বসন্ত কুমারী
জমিদার – জমিদার দর্পন

উপন্যাস: রত্নাবতী বিষাদসিন্ধুর পানে তাকিয়ে থাকা উদাসীন পথিকের মনের কথা বুঝতে পেরে বাঁধা খাতাটি গাজী মিয়ার বস্তানীতে রাখলেন

রত্নাবতী – বাংলা সাহিত্যের মুসলমান রচিত ১ম উপন্যাস,বিষাদসিন্ধু,গাজীমিয়ার বস্তানী,বাঁধা খাতা,উদাসীন পথিকের মনের কথা

কায়কোবাদ:

মনে রাখার উপায়:

কাব্য- (অমিয়ের সাথে কুসুমের আর দহরম মহরম নেই বিরহ চলছে। তাই সে মহাশ্মশানের শিব মন্দিরে অশ্রুমালা বিসর্জন দিল)

অমিয়ধারা,কুসুমকানন,মহরম শরীফ,বিরহ বিলাপ,শিব মন্দির,অশ্রুমালা

মহাকাব্য: মহাশ্মশান

বাংলা সাহিত্যের মুসলমান কতৃক রচিত ১ম মহাকাব্য। মহাশ্মশান ১৯০৩ সালে রচিত হয়। এটি পানি পথের তৃতীয় যুদ্ধ নিয়ে রচিত

বিহারীলাল চক্রবর্তীর:

মনে রাখার উপায়:

বিহারীলাল চক্রবর্তী-ভোরের পাখি

বিহারীলাল চক্রবর্তী-গীতিকবিতার জনক

বিহারীলাল চক্রবর্তী-রবিঠাকুরের কাব্য গুরু

পত্রিকাঃ অবোধ বন্ধু বিহারীলাল সাহিত্য সংক্রান্তিতে পূর্নিমার হাত ধরে বসে আছে

অবোধ বন্ধু,সাহিত্য সংক্রান্তি,পূর্নিমা

কাব্যঃবংগ সুন্দরী সারদার সংগীতের প্রতি নিসর্গ প্রেম তার স্বপ্ন ও মনেসাধের আসন গেড়ে বসেছে

বংগ সুন্দরী,সারদা মঙ্গল,সংগীত শতকlনিসর্গ সন্দর্শনlপ্রেম প্রবাহিনীlস্বপ্ন দর্শনlসাধের আসন

রবি ঠাকুরের (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর):

মনে রাখার উপায়:

ছোট গল্প: (পোস্টমাস্টার কাবুলিওয়ালা দেনা পাওনার কর্মফলে হৈমন্তির দিদির পত্র রক্ষা করতে পারল না)

পোস্টমাস্টার,কাবুলিওয়ালা,দেনা পাওনা,কর্মফল,হৈমন্তি,দিদি,পত্র রক্ষা

 রবি ঠাকুরের (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের) – (প্রেমের গল্প সহজে মনে রাখার উপায়)

প্রেমের গল্প: দূর আশায় দৃষ্টিদান করে ল্যাবরেটরীর অধ্যাপক তার নষ্টনীড় জীবনের শেষের রাত্রির শেষ কথার সমাপ্তি টেনে স্ত্রীর কাছে পত্র লেখেন 

ল্যাবরেটরী,অধ্যাপক,নষ্টনীড়,শেষ রাত্রি,সমাপ্তি,স্ত্রীর পত্র,একরাত্রি,দূর আশা,দৃষ্টিদান

আল –মাহমুদ:

মনে রাখার উপায়:
কাব্যঃ (কালের কলসে হারিয়ে যাওয়া লোক-লোকান্তরে প্রচলিত কাহিনী –বখতিয়ারের ঘোড়ায় সোনালী কাবিন চাপিয়ে আল-মাহমুদ এক চক্ষু হরিণ শিকার করেছিলেন)

লোক লোকান্তরে,কালের কলস,সোনালী কাবিন,বখতিয়ের ঘোড়া,একচক্ষু হরিণ

উপন্যাস: (আগুনের মেয়ে সুন্দর পুরুষকে দেখে তার ডাহুকী রুপ ধারন করেছিল)

ডাহুকী,আগুনের মেয়ে,পুরুষ মেয়ে

গল্পঃপানকৌড়ির রক্ত

আলোচিত সাহিত্য স্রষ্টা

হেমচন্দ্র বন্দোপাধ্যায় রচিত মহাকাব্যর নাম – বৃত্রসংহার।

লালন ফকির নাটকের নাট্যকার – কল্যান মিত্র।

সিরাজদ্দৌলা নাটকের নাট্যকার – গিরিশ চন্দ্র।

অশ্রুমালা কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা – কায়কোবাদ।

অভিজ্ঞান শকুন্তলম এর রচয়িতা – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

অপরাজিতা গ্রন্থটির লেখক – বিভুতিভূষন।

আত্মঘাতি বাঙ্গালী এর রচয়িতা – নীরদ চন্দ্র চৌধুরী।

অনল প্রবাহ ও রায় নন্দিনী কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা – ইসমাইল হোসেন সিরাজী।

আবদুল্লাহ উপন্যাসটি  রচনা করেন- কাজী ইমদাদুল হক।

আবার আসিব ফিরে কবিতাটির রচয়িতা – জীবনানন্দ দাশ।

আমার পূর্ব বাংলা কবিতাটির রচয়িতা – সৈয়দ আলী আহসান।

আনন্দ মঠ ও দেবী চৌধুরানী গ্রন্থ দুটির রচয়িতা – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

আমি বিজয় দেখিছি গ্রন্থের রচয়িতা – এম, আর, আখতার মুকুল।

আলালের ঘরের দুলাল গ্রন্থের রচয়িতা – প্যারীচাঁদ মিত্র।

আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর গ্রন্থের রচয়িতা – আবুল মনসুর আহমেদ।

আমি সৈনিক রচনাটি নজরুলের অর্ন্তভুক্ত- দুর্দিনের যাত্রী গ্রন্থের

আগুন নিয়ে খেলা গ্রন্থটির রচয়িতা- অন্নদাশঙ্কর রায়।

আমলার মামলা গ্রন্থটির রচয়িতা- শওকত ওসমান।

আলাওলের শ্রেষ্ঠ কীর্র্তি – পদ্মাবতী।

আব্দুল কাদেরের প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ – দিলরুবা।

আলো ও ছায়া কাব্যগ্রন্থের রচিয়তা – কামিনী রায়।

আবোল তাবোল কার রচনা- সুকুমার রায়।

আহসান হাবিবের প্রথম কাব্যগ্রন্থ- রাত্রি শেষ।

আহসান হাবিবের বিখ্যাত উপন্যাস- অরণ্য নীলিমা।

নোলক কবিতা আল মাহমুদের   অর্ন্তগত- লোক লোকান্তর গ্রন্থের

আকাঙ্খিত অসুন্দর কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা — ফজল শাহাবুদ্দীন।

আমি কিংবদন্তীর কথা বলাছি কাব্যগ্রন্থের রচিয়তা — আবু জাফর উবায়দুল্লাহ।

ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র এর রচিয়তা — ইব্রাহিম খাঁ।

ঈশ্বর পাটনী চরিত্রের স্রষ্টা — ভারতচন্দ্র রায়গুনকর(অন্নদামঙ্গল)।

ইউসূফ-জুলেখা কাব্যের রচিয়তা — শাহ মুহাম্মদ সগীর।

ইসমাইল হোসেন সিরাজী যে কাব্যগ্রন্থের জন্য কারাবরণ করেন তার নাম – অনল প্রবাহ।

উমর ফারুক কবিতা কাজী নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থের অর্ন্তভূক্ত- জিঞ্জির।

উদাসিন পথি-র মনেরকথা উপন্যাসের রচয়িতা — মীর মশাররফ  হোসেন।

উত্তম-পুরুষ উপন্যাসের রচয়িতা — রশীদ করিম।

এ গ্রামার অব দি বেংলী ল্যাঙ্গুয়েজ এর রচিয়তা — ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড।

এ-ই কি বলে সভ্যতা প্রহসণটি – মাইকেল মধুসুদন দত্ত এর রচনা

এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে গ্রন্থটির রচিয়তা — আব্দুল্লাহ আল মুতী সরফুদ্দিন।

ওরা কদম আলী নাট-র রচিয়তা — মামুনুর রশিদ।

প্রধানমন্ত্রীত্বের নয় মাস গ্রন্থটির রচিয়তার নাম কি- আতাউর রহমান খান।

স্বৈরাচারের দশ বছর গ্রন্থটির রচিয়তার নাম কি- আতাউর

গুরুত্বপূর্ণ এগুলো পরীক্ষায় আসেএক ঝলক দেখে নিন:

১. প্যারিচাঁদ মিত্র- আলালের ঘরের দুলাল

২. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-বিষবৃক্ষ, দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুণ্ডলা

৩. মীর মশাররফ হোসেন- বিষাদসিন্ধু

৪. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর- গোরা, চোখের বালি, যোগাযোগ, শেষের কবিতা

৫. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়- চরিত্রহীন, দেবদাস, শ্রীকান্ত, শেষপ্রশ্ন

৬. বেগম রোকেয়া- মতিচূর, সুলতানার স্বপ্ন

৭. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়-আরণ্যক, অপুর সংসার, পথের পাঁচালী, চাঁদের পাহাড়

৮. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়- পদ্মানদীর মাঝি, পুতুল নাচের ইতিকথা, দিবারাত্রির কাব্য, চিহ্ন, অহিংসা

৯. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়- হাঁসুলি বাঁকের উপকথা, নাগিনী কন্যার কাহিনী, কবি, আরোগ্য নিকেতন

১০. জীবনানন্দ দাশ- কারুবাসনা, মাল্যবান

১১. কাজী নজরুল ইসলাম- মৃত্যুক্ষুধা

১২. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী : বেনের মেয়ে

১৩.কমলকুমার মজুমদার- অন্তর্জলী যাত্রা, সুহাসিনীর পমেটম, নিম অন্নপূর্ণা

১৪. অদ্বৈত মল্লবর্মণ- তিতাস একটি নদীর নাম

১৫. বুদ্ধদেব বসু- রাত ভর বৃষ্টি, তিথিডোর

১৬. সমরেশ বসু- প্রজাপতি, গঙ্গা,মোক্তার দাদুর কেতু বধ

১৭. কাজী ইমদাদুল হক- আবদুল্লাহ

১৮. সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ- লালসালু,কাঁদো নদী কাঁদো, চাঁদের অমাবশ্যা

১৯. শওকত ওসমান- ক্রীতদাসের হাসি, জলাঙ্গী

২০. আশাপূর্ণা দেবী- সুবর্ণলতা,প্রথম প্রতিশ্রুতি

২১. মহাশ্বেতা দেবী- হাজার চুরাশির মা

২২. নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়- উপনিবেশ

২৩. সতীনাথ ভাদুড়ী- ঢোঁড়াই চরিতমানস

২৪.প্রমথনাথ বিশী- কেরী সাহেবের মুন্সী

২৫. বিমল মিত্র- কড়ি দিয়ে কেনা, সাহেব বিবি গোলাম

২৬. যাযাবার-দৃষ্টিপাত

২৭. ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়-লুলু, কংকাবতী, ডমরু-চরিত

২৮. মৈত্রেয়ী দেবী- ন হন্যতে

২৯. অমিয়ভূষণ মজুমদার- মধু সাধুখাঁ, মহিষকুড়ার উপকথা

৩০. লীলা মজুমদার- মেঘের সাড়ি ধরতে নারি, নোটর দল

৩১. আবু ইসহাক- সূর্যদীঘল বাড়ি

৩২. রশীদ করীম-মায়ের কাছে যাচ্ছি

৩৩. শংকর- বিত্তবাসনা, চৌরঙ্গী, নিবেদিতা রিসার্চ ল্যাবরেটরি

৩৪. শিবরাম চক্রবর্তী- ঈশ্বর পৃথিবী ভালোবাসা

৩৫. ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়- শাপ মোচন

৩৬. বনফুল- মৃগয়া

৩৭. সুবোধ ঘোষ- শতকিয়া

৩৮. জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী- মীরার দুপুর

৩৯. শামসুদ্দীন আবুল কালাম- কাশবনের কন্যা

৪০. শহীদুল্লা কায়সার- সংশপ্তক

 

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.